চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের বাসন্তী দুর্গাপুজো শুরু হয়েছে এদিন। আশ্বিন মাসের দুর্গাপুজোর মতো এটিও বাঙালির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেকের মতে, প্রকৃত দুর্গাপুজো আসলে এই বাসন্তী পুজোই।
এই পুজো উপলক্ষে সারা বাংলা জুড়ে ধর্মীয় আবহ তৈরি হয়েছে। নয় দিন ধরে চলা চৈত্র নবরাত্রি উপলক্ষে অবাঙালি সম্প্রদায় বিশেষভাবে মাতোয়ারা। বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে এই পুজো নিয়ম মেনে পালিত হয়, যেখানে দেবী দুর্গার প্রতি অগাধ শ্রদ্ধা ও ভক্তির প্রকাশ ঘটে।
শিলিগুড়ির পশ্চিম ভক্তিনগরে বাসন্তী পুজো উপলক্ষে সাজসাজ রব। প্রতিমা আনা থেকে শুরু করে পুজোর সব প্রস্তুতি তুঙ্গে। পাঁচ দিন ধরে স্থানীয়রা মহাধুমধামে এই পুজো উদযাপন করবেন। সন্ধ্যা আরতিতে জমায়েত হবে ভক্তরা, মন্দির চত্বরে থাকবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান।
এদিন বরাবরের মতো সপ্তম তম বর্ষে পুজো কমিটির তরফে বৃদ্ধাশ্রম থেকে আগত বয়োজ্যেষ্ঠ ও স্থানীয় পৌরপিতা বিমান তপাদারের মধ্য দিয়ে পূজোর সূচনা করা হয়। পুজোকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এছাড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ভোগ বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে। ধর্মীয় ভাবাবেগে ভাসছে শিলিগুড়ি সহ গোটা বাংলা।