শিলিগুড়ি: পাহাড়ের পর্যটনকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে রোপওয়ে, হোমস্টে, সাংস্কৃতিক উৎসব, অ্যাডভেঞ্চার পর্যটন ও ডিজিটাল পরিষেবাকে সামনে রেখে আগামী ছয় মাসের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে।
শিলিগুড়ি স্টেট গেস্ট হাউসে জিটিএ ও পর্যটন দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, প্রতিমন্ত্রী বিশাল নামা, দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের জেলাশাসক, কার্শিয়াংয়ের বিধায়ক-সহ প্রশাসনিক আধিকারিক ও জিটিএ-র কর্তারা।
দার্জিলিং, কালিম্পং, মিরিক, দুধিয়া, মংপু ও কার্শিয়াংকে আলাদা পর্যটন সম্ভাবনার ভিত্তিতে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়াতে টি ফেস্টিভ্যাল, ভিন্টেজ কার র্যালি, ওয়াকাথন, রিভার ক্রাফটিং ও প্যারাগ্লাইডিংয়ের মতো অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
পাশাপাশি মহাকাল মন্দির, সেবকের কালীমন্দির, কালিঝোরার পুরনো বাংলো ও মংপুর রবীন্দ্র-স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
দার্জিলিংয়ের যানজট কমাতে প্রাথমিকভাবে পাঁচটি রোপওয়ে প্রকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে।
একইসঙ্গে হোমস্টেগুলির রেজিস্ট্রেশন ও নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
নতুন হোমস্টে রেজিস্ট্রেশন, নবীকরণ ও আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনে আনার প্রস্তুতিও চলছে।
পাশাপাশি হোমস্টে ও পর্যটন শিল্পের নীতিতে পরিবর্তন ও পর্যটন দপ্তরের ওয়েবসাইট আধুনিকীকরণের পরিকল্পনা রয়েছে।
কেন্দ্রীয় সরকারের বরাদ্দ ৫৭ কোটি টাকা কাজে লাগিয়ে পাহাড়ের পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়নের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
দুর্গাপুজো উপলক্ষে দার্জিলিংয়ের চকবাজার ও ম্যাল রোডে আলোকসজ্জা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও পরিকল্পনা রয়েছে।















































