জলপাইগুড়ি: ভোট মানেই উৎসব, আর সেই উৎসবেই এ বার এক নতুন ইতিহাসের সাক্ষী রইল ধূপগুড়ি।
সমাজের প্রান্তে দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত বৃহন্নলা সম্প্রদায়ের সাতজন সদস্য একসঙ্গে প্রথমবারের মতো তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন।
ধূপগুড়ি পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ২০৪ নম্বর বুথে এই দৃশ্য যেন এক অনন্য গণতান্ত্রিক মুহূর্তের জন্ম দিল।
সকাল থেকেই বুথের সামনে লাইনে দাঁড়ানো সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আলাদা করে নজর কেড়েছিলেন তাঁরা।
সাজগোজ, আত্মবিশ্বাস ও চোখে-মুখে উজ্জ্বলতা সব মিলিয়ে স্পষ্ট ছিল বহুদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটার আনন্দ।
একে একে বুথে ঢুকে ভোট দিয়ে বেরোনোর পর আবেগ আর ধরে রাখতে পারেননি অনেকেই কারও চোখে জল, কারও মুখে হাসি, দু’য়ের মিশেলে তৈরি হয় এক আবেগঘন পরিবেশ।
লিজা নামে তাঁদেরই একজন কাঁপা গলায় জানালেন, “এতদিন পরিচয়পত্রই বানাইনি। মনে হত, এসব আমাদের জন্য নয়। কিন্তু আজ বুঝলাম, আমরাও এই দেশের নাগরিক, আমাদেরও অধিকার আছে।
এই প্রথম পরিচয়পত্র বানিয়ে ভোট দিলাম, খুব ভালো লাগছে।”
এই ঘটনা শুধু একটি ভোটদান নয়, বরং সমাজের প্রান্তিক মানুষের মূলস্রোতে ফিরে আসার এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করছেন অনেকেই।














































