মালদা: ভারত – বাংলাদেশ সীমান্তে ফসল ও কৃষি সামগ্রী চুরি রুখতে কাঁটাতারের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়ায় খুশি সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকরা।
বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছে, আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ভারত- বাংলাদেশ সীমান্তের যেসব এলাকায় এখনও কাঁটাতার নেই, সেসব এলাকায় জমি অধিগ্রহণ করে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
এই ঘোষণার পর মালদা জেলার হবিবপুর বিধানসভার ধুমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জোত কুবের এলাকার কৃষকদের মধ্যে স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের একাংশ জানান, আগের তৃণমূল সরকারের সময় বহুবার জমি অধিগ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও সেই কাজ পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।
কিছু কৃষক ক্ষতিপূরণ পেলেও অনেকেই এখনও টাকা পাননি বলে অভিযোগ।
কৃষকদের দাবি, দেশের সুরক্ষার স্বার্থে তারা আগেও জমি দিতে প্রস্তুত ছিলেন, এখনও রয়েছেন।
কৃষকদের বক্তব্য, সীমান্তে কাঁটাতার না থাকায় বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা প্রায়ই ফসল, পাম্প মেশিন-সহ বিভিন্ন কৃষি সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যেত।
ফলে সীমান্ত এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন।
তাদের আশা, কাঁটাতার নির্মাণ হলে অনুপ্রবেশ ও চুরির ঘটনা কমবে সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে।
হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক জুয়েল মুর্মু বলেন, “বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের অনুপ্রবেশ রুখতে ও সীমান্তে কাঁটাতারের দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন করেচ্ছেন।
আগের সরকার কেন্দ্রের অনুরোধ সত্ত্বেও বিএসএফকে পর্যাপ্ত জমি দেয়নি। এবার নতুন সরকার সেই উদ্যোগ গ্রহণ করায় আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।”
অন্যদিকে জেলা তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, “নতুন সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। তৃণমূল সরকারের সময়ও সীমান্ত এলাকায় বহু জমি অধিগ্রহণ করে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।












































