জলপাইগুড়ি: দীর্ঘ আইনি জটিলতা ও নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে অবশেষে রাজগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন স্বপ্না বর্মণ।
সোমবার জলপাইগুড়ি জেলা শাসকের কার্যালয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁকে একেবারে অ্যাকশন মোডে দেখা যায়।
তাঁর পাশে ছিলেন সদর জলপাইগুড়ি বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ দাস, যার নেতৃত্বে এলাকায় ব্যাপক জনসমাগম লক্ষ্য করা যায়।
স্বপ্না বর্মণের তৃণমূলে যোগদান ও প্রার্থী হিসেবে টিকিট পাওয়ার পর থেকেই শুরু হয় আইনি জটিলতা।
রেলের তরফে অভিযোগ ওঠে, কর্মরত অবস্থায় তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে অংশ নিয়েছেন।
যদিও তিনি আগেই পদত্যাগপত্র জমা দেন ও এমনকি পেনশনও না নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানান, তবুও দীর্ঘদিন ছাড়পত্র মেলেনি।
শেষমেশ বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়।
রবিবার নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয়, তাঁর নির্বাচনে লড়তে আর কোনও বাধা নেই। এরপর রেলের পক্ষ থেকেও ছাড়পত্র মেলে।
মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর স্বপ্না বর্মণ বলেন, “অনেক স্ট্রাগল আর ত্যাগের পর আজ মনোনয়ন জমা দিতে পারলাম।
এবার পুরো শক্তি নিয়ে প্রচারে নামবো। আমি রাজগঞ্জের মেয়ে, এই কেন্দ্র থেকেই বিপুল ভোটে জয়ী হবো।”
মনোনয়নের আগে তিনি ভ্রামরীদেবীর মন্দিরে পুজো দেন ও জানান, “মন্দিরে পুজো দিয়ে মনোনয়ন জমা দেবো, আর কোনও জটিলতা নেই।”
অন্যদিকে, প্রার্থী স্বপ্না বর্মণের সমর্থনে শুরু থেকেই সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন কৃষ্ণ দাস।
নিজের নির্বাচনী প্রচারের পাশাপাশি তিনি একাধিকবার রাজগঞ্জে এসে স্বপ্নার সমর্থনে প্রচার চালিয়েছেন। সোমবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
নানা বাধা-বিপত্তির মধ্যে দিয়ে এগিয়ে আসা স্বপ্না বর্মণের এই মনোনয়ন রাজগঞ্জের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
এদিকে সূত্রের খবর, সোমবার সন্ধ্যায় শিলিগুড়িতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সভাতেও দেখা যেতে পারে স্বপ্না বর্মণকে।












































