‘
ইসলামপুর: চোপড়া ও ইসলামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের কর্মীদের নিয়ে মমতার তৃণমূলের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হল ইসলামপুরে।
রবিবার ইসলামপুরের কমলাগাঁও সুজালি গ্রাম পঞ্চায়েতের কালুরঘাট এলাকায় এই সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইটাহারের মুশারফ হোসেন-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থক।
সভা থেকে ফোনের মাধ্যমে কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি বলেন, “আমরা যাঁদের জিতিয়েছি, তাঁরা গদ্দার। আমাদের কাছে তাঁদের কোনও জায়গা নেই। আমরা আবার ফিরে আসব। আপনারাই আসল তৃণমূল।”
ইন্ডিয়া জোটের প্রসঙ্গ তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস শক্তিশালী না হলে ইন্ডিয়া জোটও শক্তিশালী হবে না।
বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে তৃণমূল দলকে আরও শক্তিশালী করার জন্য কর্মীদের বার্তা দেন তিনি।
অন্যদিকে সভা থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে কটাক্ষ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
তাঁর দাবি, “ভোট চুরি করে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া যায়, কিন্তু মানুষের মনে জায়গা করা যায় না।”
চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমান ও ইসলামপুরের বিধায়ক কানাইয়ালাল আগরওয়ালকে নিশানা করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের বিরুদ্ধে সরব হন।
কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁদের উপযুক্ত জবাব দিতে হবে।
তাঁর বক্তব্য, “বিশ্বাসঘাতকদের কোনও জায়গা নেই। তাঁদের রাজনৈতিক কেরিয়ার শেষ করে দিতে হবে।”
SIR বা ভোটার তালিকা সংশোধনের বিষয় নিয়েও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি দাবি করেন, আগামী দিনে ভোট ইন্ডিয়া জোটের নামে হবে ও পশ্চিমবঙ্গে ইন্ডিয়া জোটের নামে ৪২টি আসনেই জয় আসবে।
পুলিশকে উদ্দেশ্য করেও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, “আইন মানুন।
এদিকে রাজ্যসভার উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে কয়েল মল্লিকের নাম প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কয়েল মল্লিক আপনাদের দলের সাংসদ ছিলেন।
আজ রাজ্যসভার উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন- হয়েছেন তো, কী হয়েছে?
শুভেন্দু অধিকারীও আমাদের দলের ছিলেন, বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পা ভাঙার ঘটনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেজাজ হারানোর অভিযোগও ওঠে। বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।















































