বাংলার চার প্রস্তাবিত বিমানবন্দর নিয়ে বড় পদক্ষেপ!

আজ নবান্নে MoU
কেন্দ্র-রাজ্যের চুক্তিতে গতি পাবে আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগ, উপস্থিত কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী রামমোহন নাইডু

কলকাতা: বাংলার বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপ। রাজ্যে চারটি প্রস্তাবিত বিমানবন্দর ও সিভিল এনক্লেভ প্রকল্প নিয়ে আজ, সোমবার কেন্দ্র ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মধ্যে ত্রিপাক্ষিক সমঝোতাপত্র বা MoU স্বাক্ষরিত হতে চলেছে।

নবান্নে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকছেন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী কিনজারাপু রামমোহন নাইডু।

কেন্দ্রের আঞ্চলিক যোগাযোগ প্রকল্প ‘উড়ান’-এর আওতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
প্রস্তাবিত চারটি বিমানবন্দর হল পুরুলিয়ার ছররা, দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট, আলিপুরদুয়ারের হাসিমারা ও পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডা।

এর মধ্যে হাসিমারা ও কলাইকুন্ডায় বিদ্যমান বিমানঘাঁটিকে কাজে লাগিয়ে বেসামরিক বিমান পরিষেবার জন্য সিভিল এনক্লেভ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

এই চারটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তরবঙ্গ থেকে জঙ্গলমহল – রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ আরও সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশেষ করে বালুরঘাট ও হাসিমারায় বিমান পরিষেবা চালু হলে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসতে পারে।

অন্যদিকে পুরুলিয়ার ছররা বিমানবন্দর চালু হলে শিল্পাঞ্চল ও পর্যটনকেন্দ্রগুলির সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় জমি ও প্রাথমিক পরিকাঠামো বিদ্যুৎ, জল-সহ অন্যান্য সুবিধা তৈরিতে সহযোগিতা করবে।

অন্যদিকে বিমানবন্দর পরিকাঠামো ও বিমান পরিষেবা পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে এয়ারপোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার।

কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগ বাড়াতে ‘উড়ান’ প্রকল্পের পরবর্তী পর্যায়ে একাধিক নতুন গন্তব্য ও বিমানবন্দরকে সংযোগের আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়েছে।

ইতিমধ্যেই ২১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সঙ্গে এই পর্যায়ের MoU স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য দেশের অনুন্নত ও বিমান পরিষেবার বাইরে থাকা অঞ্চলগুলিতে যোগাযোগ বাড়ানো।

পশ্চিমবঙ্গের চারটি প্রকল্প নিয়ে আজকের MoU স্বাক্ষর তাই রাজ্যের আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে বিমান যোগাযোগের পাশাপাশি পর্যটন, শিল্প, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here