রেজিনগর: রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনে পুলিশের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভাবে ভোট লুটের অভিযোগ তুললেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির আহ্বায়ক তথা ৭৪-নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর।
তাঁর অভিযোগ, ভোটের দিন বহরমপুর পুলিশ সুপারের নির্দেশে রাজ্য থেকে বাছাই করা পুলিশ আধিকারিকদের এনে ভোট প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করা হয়েছে।
হুমায়ুন কবীরের অভিযোগ, “সিপিএম আমলে যেমন পুলিশ নীরব দর্শক থাকত আর ক্যাডাররা বুথ দখল করত, কাল তেমনই বহরমপুর পুলিশ সুপারের নির্দেশে রাজ্য থেকে বাছাই করা পুলিশ অফিসার এনে ভোট লুট করা হয়েছে।”
তাঁর আরও দাবি, পুলিশ বিজেপির কর্মীদের ব্যাচ পরিয়ে ৮-১০টি গাড়ির কনভয় নিয়ে ভোট লুটে নেতৃত্ব দিয়েছে।
এই ঘটনার জন্য পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকেও তীব্র আক্রমণ করেন হুমায়ুন।
তাঁর অভিযোগ, কোনও বুথে না যাওয়া সত্ত্বেও তাঁকে দলীয় কার্যালয় থেকে টানাহেঁচড়া করে গ্রেফতার করা হয়েছে।
হুমায়ুন কবীর বলেন, “বিনা কারণে, কোনও বুথে না যাওয়া সত্ত্বেও পার্টি অফিস থেকে টানা-হেঁচড়া করে আমাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এর প্রতিবাদে যতদিন এই পুলিশমন্ত্রী থাকবেন, বিধানসভায় আমার জন্য বরাদ্দ ৮৮ নম্বর আসনে আমি বসব না। হাউস বয়কট করলাম।
প্রয়োজনে বিধায়ক পদ থেকেও পদত্যাগ করব।”
হুমায়ুনের এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে রেজিনগর উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে।
তাঁর তোলা অভিযোগ নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কী প্রতিক্রিয়া আসে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।















































