কলকাতা: রাজ্যের সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তাঁর দাবি, এই নির্বাচনে গণতন্ত্রের পরাজয় হয়েছে ও জোর করে তাঁদের হারানো হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ১০০-র বেশি আসনে ভোট লুট হয়েছে ও পরিকল্পিতভাবে বিজেপির পক্ষ থেকে সন্ত্রাস চালানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও সরব হন তিনি। তাঁর কথায়, কমিশন নিরপেক্ষ ছিল না ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার “ভিলেনের ভূমিকা” পালন করেছেন।
ভোটের আগে তৃণমূল কর্মীদের গ্রেফতার, প্রশাসনিক আধিকারিকদের সরিয়ে দেওয়া সহ কেন্দ্রীয় বাহিনীর পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও তোলেন তিনি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও দাবি করেন, প্রায় ৯০ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল ও পরে ৩২ লক্ষ নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।
তাঁর অভিযোগ, গণনার সময়ও বিজেপি প্রার্থীরা কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কাউন্টিং সেন্টারে ঢুকে হুমকি দিয়েছে ও তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে নিগ্রহ করা হয়েছে।
তিনি জানান, বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা, পার্টি অফিস দখল, এমনকি মহিলাদের হুমকি দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।
এই পরিস্থিতিতে দল ফ্যাক্ট- ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করবে বলে ঘোষণা করেন তিনি।
এছাড়াও, তিনি বলেন যে বিরোধী জোটের নেতারা, যেমন সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী ও অখিলেশ যাদব তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন সাথে সমর্থন জানিয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, “আমরা হারিনি, আমাদের হারানো হয়েছে। এই লড়াই বিজেপির বিরুদ্ধে নয়, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ছিল।”
তিনি আশ্বাস দেন, তৃণমূল কংগ্রেস আবার লড়াই করে ঘুরে দাঁড়াবে ও মানুষের পাশে থাকবে।
সবশেষে তিনি বলেন, “আমি চেয়ার নিয়ে ভাবি না, আমি মানুষের কথা ভাবি। আমি রাস্তায় ছিলাম, রাস্তায়ই থাকবো।”














































