কলকাতা: দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি।
শুক্রবার নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির ২০৭ জন নবনির্বাচিত বিধায়কের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তাঁকে বিধায়ক দলের নেতা নির্বাচিত করা হয়।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বৈঠকের পর আনুষ্ঠানিকভাবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করেন।
শাহ জানান, দলনেতা নির্বাচনের জন্য আটটি প্রস্তাব জমা পড়ে ও প্রতিটি প্রস্তাবেই একমাত্র নাম ছিল শুভেন্দু অধিকারীর।
দ্বিতীয় কোনও নাম প্রস্তাবের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হলেও আর কোনও নাম সামনে আসেনি।
এরপরই সর্বসম্মতিক্রমে শুভেন্দুকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
দলনেতা নির্বাচনের পর শুভেন্দু অধিকারী রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল আর এন রবির কাছে সরকার গঠনের দাবি পেশ করবেন।
এবারের নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর পারফরম্যান্সই তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী পদের সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে তুলে ধরে।
২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর পর এবার ভবানীপুরেও তৃণমূল নেত্রীকে পরাজিত করেন তিনি।
ভবানীপুরে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে জয় ও নন্দীগ্রামেও বড় ব্যবধানে জয় বিজেপির অন্দরে তাঁর নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়িয়ে দেয়।
যদিও বিজেপির অতীত রাজনৈতিক ইতিহাসে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনে চমকপ্রদ সিদ্ধান্তের নজির রয়েছে, তবুও পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দুর বিকল্প নিয়ে তেমন জোরালো আলোচনা ছিল না বলেই রাজনৈতিক মহলের মত।
কারণ, নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি পরাজিত করার পর থেকেই শুভেন্দু কার্যত বিজেপির মুখ হয়ে ওঠেন।














































