মালদা: মালদা জেলার মানিকচকের ভূতনির বন্যা কবলিত এলাকা ও রতুয়ার নদীভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করলেন রাজ্যের পাঁচ মন্ত্রী শংকর ঘোষ, অজয় কুমার পোদ্দার, কৌশিক চৌধুরী, সুমনা সরকার ও জুয়েল মুর্মু।
তাঁদের সঙ্গে ছিলেন মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু, মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল ও রতুয়ার বিধায়ক সমর মুখার্জি।
শনিবার মন্ত্রীদের পরিদর্শন ঘিরে প্রশাসনিক মহলে তৎপরতা দেখা যায়।
প্রথমে তাঁরা মানিকচকের ভূতনি এলাকার বন্যা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন।
নদীপথেও বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে বন্যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ, নদীর জলস্তর, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহ ত্রাণ ও উদ্ধারকাজের পরিস্থিতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন।
এরপর মন্ত্রীরা রতুয়ার ভাঙন কবলিত এলাকায় পৌঁছে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।
ভাঙনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সমস্যা, ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া ও পুনর্বাসনের বিষয়েও প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন তাঁরা।
পরিদর্শনের পর মন্ত্রীরা মথুরাপুর মডেল স্কুলে গড়ে ওঠা ত্রাণ শিবিরে যান।
সেখানে আশ্রয় নেওয়া বন্যার্তদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন।
গর্ভবতী মহিলা ও শিশুদের পরিস্থিতির বিশেষ খোঁজ নেন মন্ত্রীরা। দুর্গতদের হাতে খাদ্যসামগ্রী -সহ প্রয়োজনীয় ত্রাণ তুলে দেওয়া হয়।
এরপর ভূতনি ব্রিজ এলাকাতেও পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন তাঁরা।
নদীর জলস্তর, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহ বন্যার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা হয়।
পরে মানিকচক বিডিও অফিসে প্রশাসনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বন্যা ও নদীভাঙন পরিস্থিতি, ত্রাণ বিলি, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহ দুর্গত মানুষদের নিরাপদ স্থানে রাখার মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে দ্রুত সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মালদা জেলা শাসক, জেলা পুলিশ সুপার-সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক আধিকারিক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা। ভূতনির বন্যা ও রতুয়ার নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত ত্রাণ ও প্রশাসনিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়াই এদিনের পরিদর্শন ও বৈঠকের অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল।















































