হাওড়া: মধ্য হাওড়ার জি টি রোড সংলগ্ন ফজির বাজার এলাকায় জমির মালিক ও প্রমোটর পক্ষের বিবাদকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করল হাওড়া থানার পুলিশ।
ধৃতদের নাম সোহেল খান ও শাহাবাজ খান।
অভিযোগ, জমির মালিক মহম্মদ রফিকে লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয়। ঘটনায় গুরুতর জখম অবস্থায় তিনি বর্তমানে হাওড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অভিযোগ, মহম্মদ রফির কাছে ১৬ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়েছিল। সেই টাকা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়। পরে তাঁর ফ্ল্যাটে গিয়ে লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
ঘটনায় হাওড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন রফির পরিবারের সদস্যরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ফজির বাজার এলাকার বাসিন্দা মহম্মদ রফির প্রায় আড়াই কাঠা জমি প্রমোটারদের ডেভেলপ করার জন্য দেওয়া হয়েছিল।
কয়েকজন প্রমোটর অংশীদারির ভিত্তিতে ওই জমিতে চারতলা বহুতল নির্মাণ করেন।
চুক্তি অনুযায়ী, বহুতলের ৬০ শতাংশ প্রমোটর পক্ষ ও ৪০ শতাংশ জমির মালিকের পাওয়ার কথা ছিল।
জমির মালিক পক্ষের অভিযোগ, তাঁদের প্রাপ্য ফ্ল্যাটের কাজ এখনও সম্পূর্ণ হয়নি।
এর মধ্যেই তাঁদের কাছে ১৬ লক্ষ টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ।
টাকা দিতে অস্বীকার করায় হুমকি ও পরে মারধরের ঘটনা ঘটে বলে পরিবারের দাবি।
মহম্মদ রফির ছেলে জানিয়েছে, শাহাবাজ খান-সহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে হাওড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে সোহেল খান ও শাহাবাজ খানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
তবে ঘটনায় রয়েছে পাল্টা অভিযোগও। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী বাড়ির মালিক একটি ফ্ল্যাটের পাশাপাশি ওই ফ্ল্যাটের কিছু অতিরিক্ত অংশ পেয়েছেন বলে প্রমোটর পক্ষের দাবি।
সেই অতিরিক্ত অংশের মূল্য নিয়েই দু’পক্ষের মধ্যে বিবাদ তৈরি হয় বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
ঘটনায় দু’পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেছে। পুলিশ চুক্তিপত্র খতিয়ে দেখার পাশাপাশি গোটা ঘটনার সমস্ত দিক তদন্ত করে দেখছে।















































