মালদা: কালিয়াচক কাণ্ডে তদন্তে গতি আনতে সক্রিয় হয়েছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)।
বুধবার মূল অভিযুক্ত মুফাক্কারুল ইসলাম সহ অন্যান্যদের মালদা জেলা আদালতে তোলা হয়।
সূত্রের খবর, আজই মুফাক্কারুলকে নিজেদের হেফাজতে নিতে পারে এনআইএ।
ঘটনার সূত্রপাত চলতি মাসের ১ তারিখে প্রকাশিত সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা থেকে মালদা জেলার বহু নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে।
এরপর সুজাপুর বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন জায়গায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান ক্ষুব্ধ মানুষজন।
টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে চলে প্রতিবাদ। কালিয়াচক ১ নম্বর ব্লকের সামনে ধর্নায় বসেন সুজাপুরের প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিন সহ দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা।
অভিযোগ, সেই সময় মুফাক্কারুল ইসলাম একটি গাড়ির ওপর থেকে উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়, যার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। পরে বাগডোগরা এলাকা থেকে সিআইডি তাঁকে গ্রেফতার করে।
এদিকে কালিয়াচক ২ নম্বর ব্লকের মোথাবাড়িতে একইভাবে বিক্ষোভ শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেখানে বিডিও অফিসে সাত বিচারককে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে।
পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর যৌথ অভিযানে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। বিক্ষোভের সময় একটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও সামনে আসে।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্তভার নেয় এনআইএ।
ইতিমধ্যেই প্রাথমিক তদন্ত শেষ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
বুধবার অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করা হলে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
এদিন সম্ভাব্য উত্তেজনার কথা মাথায় রেখে মালদা জেলা আদালত চত্বরকে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।













































