শিলিগুড়ি: ব্যবসায় সরকারি নিয়মকানুন মেনে চলা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার শিলিগুড়ি রেগুলেটেড মার্কেটে যৌথ অভিযান চালাল শিলিগুড়ি পুরনিগম ও খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর।
অভিযানে বিভিন্ন দোকানে গিয়ে ট্রেড লাইসেন্স ও ফুড লাইসেন্স রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করেন আধিকারিকরা।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর, শিলিগুড়ি পুরনিগম ও এনফোর্সমেন্ট বিভাগের আধিকারিকরা।
পাশাপাশি এনফোর্সমেন্ট বিভাগের এসিপিও অভিযানে ছিলেন।
অভিযানের সময় একাধিক দোকানে নথিপত্র পরীক্ষা করা হয়। বিশেষ নজরে আসে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর ফুড লাইসেন্স না থাকার বিষয়টি।
যেসব দোকানে ফুড লাইসেন্স পাওয়া যায়নি, তাঁদের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স তৈরি করার জন্য ৭ দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লাইসেন্স না করলে পরবর্তীতে আইনানুগ পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এর পাশাপাশি, ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যজুড়ে নিষিদ্ধ প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ ব্যবহারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ কার্যকর হওয়ায়, এদিনের অভিযানে প্লাস্টিকের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। বাজারের বিভিন্ন দোকানে নিষিদ্ধ প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ মজুত বা ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা।
নিষিদ্ধ ক্যারিব্যাগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জরিমানা করা হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুধু জরিমানা করেই বিষয়টি শেষ হবে না। জরিমানা দিতে অস্বীকার করলে সংশ্লিষ্ট দোকানের বিরুদ্ধে এফআইআরও করা হতে পারে।
ফলে একই অভিযানে একদিকে ফুড লাইসেন্সবিহীন ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স করার জন্য সময় দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে নিষিদ্ধ প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে দেওয়া হয়েছে কড়া বার্তা।
যৌথ অভিযানের জেরে রেগুলেটেড মার্কেটের ব্যবসায়ীদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, বাজারে ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ও লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক।
আগামী দিনেও শিলিগুড়ির বিভিন্ন বাজার ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ফুড লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স এবং নিষিদ্ধ প্লাস্টিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে।















































