মালদা: বর্ষা এলেই হাঁটুসমান জলে ডুবে যায় গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। দিনের পর দিন জল-কাদার মধ্যে দিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। তিন বছর ধরে রাস্তার এমন বেহাল দশা চললেও সংস্কারে প্রশাসনের কোনও উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ। ক্ষোভে এবার অভিনব প্রতিবাদের পথে হাঁটলেন গ্রামবাসীরা।
ঘটনাটি হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের সুলতাননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ডারল গ্রামের। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার পাশে কোনও নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির জল বের হতে পারে না। ফলে বর্ষার সময় রাস্তার উপর জমে থাকে জল।
সেই জমা জলে জাল ফেলে মাছ ধরার পাশাপাশি ধানের চারা রোপণ করে প্রতিবাদ জানান গ্রামবাসীরা।
বাসিন্দাদের দাবি, স্থানীয় নেতা থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত ও ব্লক প্রশাসন একাধিক জায়গায় রাস্তা সংস্কারের আবেদন জানানো হলেও এখনও কোনও স্থায়ী সমাধান হয়নি। জমা নোংরা জলের কারণে মশা-মাছির উপদ্রব বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে সেই জল বাড়ির ভিতরেও ঢুকে পড়ছে বলে অভিযোগ।
এই রাস্তা দিয়েই স্কুল, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র-সহ বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয় স্থানীয়দের।
ফলে শিশু, পড়ুয়া, অসুস্থ ব্যক্তি ও প্রসূতিদের সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। জল-কাদার মধ্যে দিয়ে বাইক ও টোটো চলাচল করায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে।
গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে বাইরের আত্মীয়স্বজনও গ্রামে আসতে অনীহা প্রকাশ করছেন।
এমনকী, রাস্তার দুরবস্থার কারণে ছেলে-মেয়েদের বিয়ের সম্বন্ধ পর্যন্ত ভেঙে যাচ্ছে বলে দাবি তাঁদের।
অবিলম্বে রাস্তা সংস্কারের পাশাপাশি স্থায়ী নিকাশি ব্যবস্থা তৈরির দাবি জানিয়েছেন ডারল গ্রামের বাসিন্দারা।















































