রাতের অন্ধকারে ভয়ংকর গঙ্গাভাঙন, তলিয়ে গেল ১০ – ১২টি বাড়ি! ভিটেমাটি হারিয়ে অসহায় একাধিক পরিবার!

নদিয়া: রাতের অন্ধকারে আচমকা ভয়াবহ গঙ্গাভাঙন। বিকট শব্দে একের পর এক বাড়ি তলিয়ে গেল গঙ্গার গর্ভে।

কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই ভিটেবাড়ি, ঘরের আসবাবপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী হারিয়ে সর্বস্বান্ত একাধিক পরিবার। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে নদিয়ার শান্তিপুর বিধানসভার অন্তর্গত গয়েশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শ্রীরামপুর গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গঙ্গার তীরবর্তী এই গ্রামে দীর্ঘদিন ধরেই ভাঙনের সমস্যা রয়েছে। প্রতি বছরই ছোট-বড় ভাঙনের কবলে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা।

ভাঙন রুখতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে বারবার জানানো হলেও স্থায়ীভাবে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের।

অভিযোগ, রাতে আচমকাই বিকট শব্দে শুরু হয় গঙ্গার ভাঙন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই গঙ্গার পাড়ের একের পর এক বাড়ি নদীগর্ভে চলে যায়।

স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ১০ থেকে ১২টি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে তলিয়ে গিয়েছে। বাড়ির ভিতরে থাকা আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় সামগ্রী-সহ বহু জিনিসপত্রও গঙ্গার জলে হারিয়ে যায়।

কোনওরকমে বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রাণে বাঁচেন পরিবারের সদস্যরা।

ঘটনার পর থেকেই কার্যত আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলি।

মাথা গোঁজার ঠাঁই কোথায় হবে, আগামী দিনে কীভাবে সংসার চলবে এই চিন্তায় দিশেহারা তাঁরা।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এর আগেও প্রশাসনের প্রতিনিধিরা এলাকায় এসে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন।

কিন্তু পরিদর্শনের পরও ভাঙন রোধে স্থায়ী কোনও কাজ হয়নি।

তাঁদের আশঙ্কা, অবিলম্বে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ধীরে ধীরে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা গঙ্গার গ্রাসে চলে যেতে পারে।

Pএখন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির দাবি, দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সরকারি সাহায্যের ব্যবস্থা করা হোক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here