কলকাতা: গোলপার্কের রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অফ কালচারের বিবেকানন্দ হলে বিদ্যা ভারতী বিবেকানন্দ বিদ্যা বিকাশ পরিষদের বার্ষিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল। “বিদ্যা থেকে সংস্কৃতি, সংস্কৃতি থেকে রাষ্ট্রনির্মাণ” এই দর্শনকে সামনে রেখে শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধ নাগরিক গড়ে তোলার সংগঠনের লক্ষ্য তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
বক্তব্যে তিনি আগামী এক বছরের মধ্যে বিদ্যা ভারতীর বিদ্যা মন্দির ও স্কুলের সংখ্যা ১,০০০-এ পৌঁছনোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
প্রতিটি শহর, পঞ্চায়েত, মহকুমা ও জেলা সদরে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পরিকাঠামো-সহ স্কুল গড়ে তোলার উপর জোর দেন তিনি। পাশাপাশি বাংলায় আরও সৈনিক স্কুল অনুমোদন এবং স্কুল ও কলেজে এনসিসি চালুর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র চামারিয়া জানান, পশ্চিমবঙ্গে বিদ্যা ভারতী বিবেকানন্দ বিদ্যা বিকাশ পরিষদের অধীনে বর্তমানে ৩১৩টি স্কুল রয়েছে।
এই স্কুলগুলিতে প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার পড়ুয়া শিক্ষা লাভ করছে। তাঁর দাবি, মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৯ লক্ষ ৬০ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে বিদ্যা ভারতীর পরীক্ষার্থী ছিলেন ১,২২৫ জন ও তাঁদের কেউই অকৃতকার্য হননি।
রাজ্যের মোট ১৩১ জন র্যাঙ্কধারীর মধ্যে ১৩ জন বিদ্যা ভারতীর পড়ুয়া বলেও জানান তিনি।
চামারিয়া আরও জানান, সংগঠনের শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা বর্তমানে ৪,৭২০।
সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের সহযোগিতায় এখনও পর্যন্ত ১৭৮টি প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে ও আরও ১৫টি প্রকল্পের কাজ চলছে।
বাংলার প্রতিটি শহরাঞ্চল ও প্রশাসনিক ব্লকে একটি করে বিদ্যা ভারতী স্কুল গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রাক্তনীদের জন্য তৈরি মঞ্চে ইতিমধ্যে ১০ লক্ষ ৮৪ হাজার পড়ুয়া নিবন্ধিত হয়েছেন বলেও অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে বিদ্যা ভারতীর অখিল ভারতীয় সহ সংগঠন মন্ত্রী যতীন্দ্র শর্মা বক্তব্য রাখেন।
উপস্থিত ছিলেন কার্যনির্বাহী কমিটির প্রবীণ সদস্য রাজেন্দ্র প্রসাদ খৈতান, ভগবতী প্রসাদ জালান ও গোবিন্দ চন্দ্র মহন্ত-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, শিক্ষামূলক আলোচনা ও মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।















































