পশ্চিম মেদিনীপুর: শালবনী জমি জালিয়াতি মামলায় ফের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের।
শনিবার তাঁকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে মেদিনীপুর আদালতে পেশ করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক সুমিত রায়ের আরও পাঁচ দিনের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন।
সিআইডির দাবি, এর আগে আট দিন হেফাজতে থাকার সময় সুমিত রায়ের কাছ থেকে মামলার তদন্তে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে।
সেই তথ্য আদালতের কাছে পেশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সরকারি আইনজীবী সৈয়দ নাজিম হাবিব।
তাঁর দাবি, অমিত ঘোষ-সহ আরও তিন অভিযুক্তের কাছ থেকেও তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে।
তদন্তকারীদের তরফে জানানো হয়েছে, ধৃতদের কাছ থেকে মোট পাঁচটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেই মোবাইল ফোনগুলিও তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি সিআইডির।
অন্যদিকে, সুমিত রায়ের আইনজীবী গৌরব বসু জানিয়েছেন, সিআইডির পক্ষ থেকে সাত দিনের হেফাজত চাওয়া হয়েছিল। তবে শুনানি শেষে বিচারক পাঁচ দিনের হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, শালবনীতে জমি জালিয়াতির অভিযোগের তদন্তে ইতিমধ্যেই তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। সেই তদন্তের সূত্র ধরেই সুমিত রায়কে গ্রেফতার করা হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি।
সুজয় হাজরার বিরুদ্ধে যে ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে, একই ধারায় সুমিত রায়ের বিরুদ্ধেও মামলা শুরু হয়েছে।
মামলার তদন্তে আরও কী তথ্য উঠে আসে ও বাজেয়াপ্ত মোবাইল ফোন থেকে কী ধরনের তথ্য পাওয়া যায়, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারীদের।















































