নাগরাকাটা: নাগরাকাটা থেকে গভীর জঙ্গলের পথ ধরে জলপাইগুড়ি শহরের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ করতে তৈরি হল নতুন মূর্তি সেতু। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে নবনির্মিত সেতুটির উদ্বোধন হবে।
মূর্তি নদীর উপর নির্মিত এই সেতুটি ১২৬ মিটার দীর্ঘ ও ১৩ মিটার চওড়া।
নতুন সেতু চালু হলে নাগরাকাটা থেকে জঙ্গলের পথ ধরে জলপাইগুড়ির সঙ্গে যোগাযোগ আরও সরাসরি ও সহজ হবে।
নতুন এই সেতুর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এলাকার পুরনো স্মৃতিও।
একসময় মূর্তি নদীর উপর ছিল কাঠের সেতু। মূর্তি ও সংলগ্ন এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি সেই কাঠের সেতুও বিভিন্ন সময়ে মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল।
জনপ্রিয় সিনেমার গান ও দৃশ্যেও এই এলাকার সৌন্দর্য উঠে এসেছে।
সময়ের সঙ্গে পুরনো কাঠের সেতুর পরিবর্তে এবার তৈরি হয়েছে আরও মজবুত ও আধুনিক সেতু।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি নতুন সেতু পর্যটনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
মূর্তি-সহ সংলগ্ন পর্যটন এলাকাগুলিতে পর্যটকদের যাতায়াত আরও সুবিধাজনক হবে।
প্রশাসনের আশা, নতুন সেতু চালু হওয়ার ফলে নাগরাকাটা ও জলপাইগুড়ির মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় গতি আসার পাশাপাশি জঙ্গল ও মূর্তি এলাকার পর্যটন সম্ভাবনাও আরও বাড়বে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে নির্মিত নতুন সেতুটিও ভবিষ্যতে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।
মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে উদ্বোধন নতুন মূর্তি সেতুর, নাগরাকাটা -জলপাইগুড়ি যোগাযোগে নতুন দিগন্ত
নাগরাকাটা: নাগরাকাটা থেকে গভীর জঙ্গলের পথ ধরে জলপাইগুড়ি শহরের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ করতে তৈরি হল নতুন মূর্তি সেতু। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে নবনির্মিত সেতুটির উদ্বোধন হবে।
মূর্তি নদীর উপর নির্মিত এই সেতুটি ১২৬ মিটার দীর্ঘ ও ১৩ মিটার চওড়া।
নতুন সেতু চালু হলে নাগরাকাটা থেকে জঙ্গলের পথ ধরে জলপাইগুড়ির সঙ্গে যোগাযোগ আরও সরাসরি ও সহজ হবে।
নতুন এই সেতুর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এলাকার পুরনো স্মৃতিও।
একসময় মূর্তি নদীর উপর ছিল কাঠের সেতু। মূর্তি ও সংলগ্ন এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি সেই কাঠের সেতুও বিভিন্ন সময়ে মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল।
জনপ্রিয় সিনেমার গান ও দৃশ্যেও এই এলাকার সৌন্দর্য উঠে এসেছে।
সময়ের সঙ্গে পুরনো কাঠের সেতুর পরিবর্তে এবার তৈরি হয়েছে আরও মজবুত ও আধুনিক সেতু।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি নতুন সেতু পর্যটনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
মূর্তি-সহ সংলগ্ন পর্যটন এলাকাগুলিতে পর্যটকদের যাতায়াত আরও সুবিধাজনক হবে।
প্রশাসনের আশা, নতুন সেতু চালু হওয়ার ফলে নাগরাকাটা ও জলপাইগুড়ির মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় গতি আসার পাশাপাশি জঙ্গল ও মূর্তি এলাকার পর্যটন সম্ভাবনাও আরও বাড়বে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে নির্মিত নতুন সেতুটিও ভবিষ্যতে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।















































