তুষারের সাদা চাদরে মোড়া সিকিম-সান্দাকফু, বি*পর্যয়ের মাঝেও মানবিকতার উজ্জ্বল নজির সেনাবাহিনীর!

দার্জিলিং ও সিকিম: উচ্চ পার্বত্য সিকিম থেকে দার্জিলিং জেলার সান্দাকফু সমগ্র হিমালয় অঞ্চল এখন তুষারের শুভ্র আবরণে মোড়া।

তুষারের সাদা চাদরে মোড়া সিকিম-সান্দাকফু, বিপর্যয়ের মাঝেও মানবিকতার উজ্জ্বল নজির সেনাবাহিনীর

টানা কয়েকদিনের তুষারপাতে উত্তর সিকিমের লাচেন, লাচুং, পূর্ব সিকিমের শেরাথাং, কুপুপ, গ্নাথাং সহ ছাঙ্গু লেক এলাকায় নেমে এসেছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ।

পাহাড়ি রাস্তা, ঘরবাড়ির ছাদ, গাছপালা সবই ঢেকে গেছে সাদা চাদরে, সৃষ্টি হয়েছে নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য।

অন্যদিকে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩,৬৩৬ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত সান্দাকফু যেন পরিণত হয়েছে স্বপ্নরাজ্যে।

বুধবার দুপুর থেকে শুরু হওয়া তুষারপাত এদিন সকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।

এখান থেকে একসঙ্গে বিশ্বের চারটি উচ্চতম শৃঙ্গ এভারেস্ট, কাঞ্চনজঙ্ঘা, লোতসে ও মাকালু দেখার বিরল অভিজ্ঞতা পর্যটকদের কাছে হয়ে উঠেছে বিশেষ আকর্ষণ।

তবে প্রকৃতির এই অপরূপ সৌন্দর্যের আড়ালে রয়েছে দুর্ভোগও। ভারী তুষারপাতের জেরে একাধিক সড়কপথ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বহু এলাকা।

সবচেয়ে জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয় উত্তর সিকিমের লাচেনে, যেখানে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বহু পর্যটক আটকে পড়েন।

এই সংকটময় মুহূর্তে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের সহযোগিতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত একটি অস্থায়ী ফুটব্রিজ নির্মাণ করে সেনা জওয়ানরা।

ঝুঁকি উপেক্ষা করে একে একে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।

বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয় বয়স্ক ও অসুস্থদের, যার মধ্যে ছিলেন ৮০ বছরের এক গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here