কলকাতা: রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর এবার প্রশাসনিক নজর গিয়ে ঠেকেছে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠনের দিকে।
বিজেপির অন্দরমহল সূত্রে ইঙ্গিত, প্রশাসনিক গতি বাড়াতে খুব শীঘ্রই মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের পথে হাঁটতে পারে রাজ্য সরকার।
তবে সম্ভাব্য তালিকায় চূড়ান্ত সিলমোহরের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সম্মতিকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সরকার গঠনের পর থেকেই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে সক্রিয় হয়েছে নতুন শাসকদল।
প্রথম দফার মন্ত্রিসভা দায়িত্ব গ্রহণ করলেও এখনও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের পূর্ণাঙ্গ বণ্টন হয়নি বলেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে।
বিজেপি সূত্রে খবর, মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের প্রস্তুতি অনেকটাই এগিয়ে রাখা হয়েছে।
দলের নির্ধারিত সাংগঠনিক প্রক্রিয়া মেনেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শুধুমাত্র প্রশাসনিক প্রয়োজন নয়, রাজনৈতিক সমীকরণ, আঞ্চলিক ভারসাম্য ও সামাজিক প্রতিনিধিত্বও এই সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।
দলীয় সূত্রের দাবি, সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নাম নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা ইতিমধ্যেই অনেক দূর এগিয়েছে।
রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশাসনিক দক্ষতা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
দিল্লির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেই সম্ভাব্য নামগুলি নিয়ে মতবিনিময় চলছে বলেও জানা গিয়েছে।
বিজেপির সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী সম্ভাব্য তালিকা তৈরি করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন আসে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের স্তর থেকেই।
সেই কারণেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সম্মতির পরই পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হতে পারে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনুমান।
দলীয় মহলের একাংশের মতে, আপাতত বাইরে থেকে কাউকে এনে মন্ত্রী করার সম্ভাবনা খুবই কম।
বরং নির্বাচিত বিধায়কদের মধ্য থেকেই নতুন মুখ তুলে আনার দিকেই ঝোঁক রয়েছে।
এদিকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি, শিল্প, কর্মসংস্থান, নারী ও শিশু উন্নয়ন সহ পরিকাঠামো – এই কয়েকটি ক্ষেত্রকে আগামী দিনে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে বলেও আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।














































