শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গের বন্ধ চা-বাগানগুলিকে ঘিরে এবার কড়া অবস্থান নিল রাজ্য সরকার।
উত্তরকন্যায় রবিবার অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠক থেকে চা-বাগান মালিকদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দিলেন রাজ্যের শ্রম ও পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং।
শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি, পিএফ ও গ্র্যাচুইটি দ্রুত পরিশোধের নির্দেশ দিয়ে তিনি জানিয়ে দেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশ না মানলে সংশ্লিষ্ট মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে, প্রয়োজনে জেলেও যেতে হতে পারে।
বন্ধ চা-বাগানের বর্তমান পরিস্থিতি, শ্রমিকদের দুর্দশা, সামাজিক সুরক্ষা সহ পুনরায় বাগান চালুর সম্ভাবনা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মণ, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক, দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা, আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গা, জলপাইগুড়ির সাংসদ জয়ন্ত কুমার রায়, শ্রম দফতরের আধিকারিক, জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি, শ্রমিক সংগঠন সহ বাগান মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শ্রমমন্ত্রী জানান, উত্তরবঙ্গে বর্তমানে ৩০টিরও বেশি চা-বাগান বন্ধ রয়েছে।
এর মধ্যে কয়েকটি বেআইনিভাবে চালানো হচ্ছে, আবার কিছু বাগান ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার কোনওরকম আপস করবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।
মন্ত্রী আরও জানান, যেসব মালিক শ্রম আইন লঙ্ঘন করছেন বা বেআইনিভাবে চা-বাগান বন্ধ রেখেছেন, তাঁদের এক মাসের সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বকেয়া মেটানো ও সরকারি নির্দেশ কার্যকর না হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারের লক্ষ্য, বন্ধ চা-বাগানগুলিকে পুনরায় চালু করে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করা।















































