শিলিগুড়ি: রথযাত্রার দিন থেকেই শুরু হয়ে গেল উত্তরবঙ্গের অন্যতম আকর্ষণ শিলিগুড়ির হায়দারপাড়ার মহামায়া স্পোর্টিং ক্লাবের ‘বড়মা’ শ্যামাপুজোর কাউন্টডাউন।
কাঠামো পুজোর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিমা নির্মাণের কাজ শুরু করলেন উদ্যোক্তারা।
এবারও নৈহাটির বিখ্যাত বড়মার আদলে তৈরি হবে বিশালাকার শ্যামা প্রতিমা, যার উচ্চতা অলংকার-সহ পৌঁছাবে প্রায় ২৮ ফুটে।
মহামায়া স্পোর্টিং ক্লাবের সহ-সভাপতি গোপাল পাল জানান, প্রায় ২১ ফুট উচ্চতার চৌদ্দ হাতবিশিষ্ট প্রতিমা তৈরি হবে।
প্রতিমার সাজসজ্জা ও অলংকার সম্পূর্ণ হলে তার মোট উচ্চতা দাঁড়াবে ২৭ থেকে ২৮ ফুট।
ইতিমধ্যেই শুভ লগ্নে কাঠামো পুজো সম্পন্ন হয়েছে ও প্রতিমা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।
ক্লাবের সম্পাদক দুলাল পাল বলেন, শিলিগুড়ির ‘বড়মা’ এখন উত্তরবঙ্গের একটি পরিচিত নাম।
প্রতি বছরই এই পুজোকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে আলাদা উন্মাদনা দেখা যায়।
সেই ঐতিহ্য বজায় রেখেই এবারও জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন করা হচ্ছে।
শুধু শিলিগুড়ি নয়, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিং-সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে ভক্তরা এখানে আসেন।
পাশাপাশি প্রতিবেশী রাজ্য আসাম ও বিহার থেকেও বহু মানুষ বড়মার দর্শনে ভিড় জমান।
ক্লাব কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রতিমার বিশাল আকৃতি ও নৈহাটির বড়মার আদলে নির্মাণই এই পুজোর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।
এ বছর ৪৭তম বর্ষে ক্লাবের শ্যামাপুজোর চতুর্থতম বড়মার পুজো অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।
উদ্যোক্তাদের আশা, আগের বছরের মতো এবারও কয়েক লক্ষ ভক্ত ও দর্শনার্থীর সমাগমে মুখর হয়ে উঠবে হায়দারপাড়ার মহামায়া স্পোর্টিং ক্লাব প্রাঙ্গণ।















































