জাপানের ঐতিহ্যবাহী মাতসুরি উৎসবে ভারতীয় সংস্কৃতির ছোঁয়া! হিন্দু দেব-দেবীর ঐতিহাসিক প্রভাব আজও স্পষ্ট!

জাপান: সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে জাপানের এক বর্ণাঢ্য ধর্মীয় শোভাযাত্রার ভিডিও।

শতাধিক মানুষ কাঁধে বিশাল অলংকৃত কাঠামো বহন করে শহরের রাস্তায় এগিয়ে চলেছেন।

এটি জাপানের ঐতিহ্যবাহী ‘মাতসুরি’ উৎসবের অংশ।

প্রতি বছর মূলত মে থেকে জুলাই মাসের মধ্যে জাপানের বিভিন্ন শহরে এই উৎসব জাঁকজমকের সঙ্গে পালিত হয়।

ভাইরাল ভিডিও-তে ফুকুওকার বিখ্যাত হাকাতা গিয়ন ইয়ামাকাসা উৎসবের দৃশ্য হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি, যা প্রতিবছর ১ থেকে ১৫ জুলাই অনুষ্ঠিত হয়।

ইতিহাস বলছে, অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে ভারত থেকে বৌদ্ধধর্ম চীন ও কোরিয়ার মাধ্যমে জাপানে পৌঁছায়।

সেই সময় ভারতীয় ধর্মীয় দর্শন ও সংস্কৃতিরও প্রভাব পড়ে জাপানের ধর্মীয় জীবনে।

ফলে আজও জাপানে হিন্দু ধর্মের একাধিক দেবতা ভিন্ন নামে পূজিত হন।

সরস্বতী পরিচিত বেনজাইতেন, গণেশ কাঙ্গিতেন, ইন্দ্র তাইশাকুতেন, ব্রহ্মা বন্তেন ও যম এনমা নামে।

তবে ইতিহাসবিদদের মতে, মাতসুরি উৎসবকে সরাসরি হিন্দু ধর্মীয় অনুষ্ঠান বলা ঠিক নয়।

এটি মূলত শিন্তো ও জাপানি বৌদ্ধধর্ম-কেন্দ্রিক ঐতিহ্যবাহী উৎসব।

তবুও ভারতীয় ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রভাব জাপানের বহু আচার-অনুষ্ঠান, মন্দির ও দেব-দেবীর পরিচয়ে আজও স্পষ্টভাবে বিদ্যমান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ও জাপানের এই প্রাচীন সাংস্কৃতিক যোগসূত্র দুই দেশের হাজার বছরের সভ্যতার আদান-প্রদানের এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।

তাই জাপানের মাতসুরি উৎসব শুধু একটি স্থানীয় উৎসব নয়, বরং এশিয়ার প্রাচীন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ।

জাপান: সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে জাপানের এক বর্ণাঢ্য ধর্মীয় শোভাযাত্রার ভিডিও।

শতাধিক মানুষ কাঁধে বিশাল অলংকৃত কাঠামো বহন করে শহরের রাস্তায় এগিয়ে চলেছেন।

এটি জাপানের ঐতিহ্যবাহী ‘মাতসুরি’ উৎসবের অংশ।

প্রতি বছর মূলত মে থেকে জুলাই মাসের মধ্যে জাপানের বিভিন্ন শহরে এই উৎসব জাঁকজমকের সঙ্গে পালিত হয়।

ভাইরাল ভিডিও-তে ফুকুওকার বিখ্যাত হাকাতা গিয়ন ইয়ামাকাসা উৎসবের দৃশ্য হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি, যা প্রতিবছর ১ থেকে ১৫ জুলাই অনুষ্ঠিত হয়।

ইতিহাস বলছে, অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে ভারত থেকে বৌদ্ধধর্ম চীন ও কোরিয়ার মাধ্যমে জাপানে পৌঁছায়।

সেই সময় ভারতীয় ধর্মীয় দর্শন ও সংস্কৃতিরও প্রভাব পড়ে জাপানের ধর্মীয় জীবনে।

ফলে আজও জাপানে হিন্দু ধর্মের একাধিক দেবতা ভিন্ন নামে পূজিত হন।

সরস্বতী পরিচিত বেনজাইতেন, গণেশ কাঙ্গিতেন, ইন্দ্র তাইশাকুতেন, ব্রহ্মা বন্তেন ও যম এনমা নামে।

তবে ইতিহাসবিদদের মতে, মাতসুরি উৎসবকে সরাসরি হিন্দু ধর্মীয় অনুষ্ঠান বলা ঠিক নয়।

এটি মূলত শিন্তো ও জাপানি বৌদ্ধধর্ম-কেন্দ্রিক ঐতিহ্যবাহী উৎসব।

তবুও ভারতীয় ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রভাব জাপানের বহু আচার-অনুষ্ঠান, মন্দির ও দেব-দেবীর পরিচয়ে আজও স্পষ্টভাবে বিদ্যমান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ও জাপানের এই প্রাচীন সাংস্কৃতিক যোগসূত্র দুই দেশের হাজার বছরের সভ্যতার আদান-প্রদানের এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।

তাই জাপানের মাতসুরি উৎসব শুধু একটি স্থানীয় উৎসব নয়, বরং এশিয়ার প্রাচীন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here