আমতা: বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ, আর সেই পার্বণের অন্যতম আকর্ষণ মাটির প্রতিমা।
বাংলার ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প আজও প্রতিমা নির্মাণের উপর অনেকটাই নির্ভরশীল।
প্লাস্টিকের ব্যবহার বাড়লেও মাটির প্রতিমার চাহিদা কমেনি।
তবে প্রতিমা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় এঁটেল ও বালি মাটি সংগ্রহ করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে মৃৎশিল্পীদের কাছে।
অভিযোগ, গত প্রায় পনেরো বছর ধরে মাটি বিক্রিকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একাধিক মাটি মাফিয়া চক্র।
তাদের দৌরাত্ম্যে চরম সমস্যার মুখে পড়ছেন সাধারণ মৃৎশিল্পীরা।
এর ব্যতিক্রম নয় হাওড়ার আমতা বিধানসভা এলাকাও।
নিরীহ মৃৎশিল্পীরা মাটি মাফিয়াদের সঙ্গে সংঘাতে না জড়িয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন।
এই পরিস্থিতিতে সমস্যার সমাধানের আশায় আমতা বিধানসভার বিধায়ক অমিত সামন্তের দ্বারস্থ হন এলাকার মৃৎশিল্পীরা।
তাঁদের অভিযোগ শোনার পর বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হন বিধায়ক।
তিনি আশ্বাস দিয়ে জানান, আপাতত সংশ্লিষ্ট থানাগুলির সঙ্গে আলোচনা করে মৃৎশিল্পীদের জন্য বিশেষ পরিচয়পত্র বা কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে।
যাতে বৈধভাবে মাটি সংগ্রহের সময় পুলিশ বা অন্য কোনও পক্ষ তাঁদের হয়রানি করতে না পারে।
বিধায়ক অমিত সামন্ত বলেন, “মৃৎশিল্পীদের কাজের সুবিধার জন্য থানার সঙ্গে কথা বলে একটি কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে।
সেই কার্ড থাকলে মাটি তুলতে গিয়ে তাঁরা অযথা সমস্যায় পড়বেন না।”
বিধায়কের এই আশ্বাসে নতুন করে আশার আলো দেখছেন আমতা এলাকার মৃৎশিল্পীরা।
তাঁদের আশা, প্রশাসনিক উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মাটি সংগ্রহের জটিলতা কমবে ও আসন্ন উৎসবের মরশুমে প্রতিমা নির্মাণের কাজ আরও নির্বিঘ্নে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।















































