মালদা: ভয়াবহ গঙ্গা ভাঙন এবং সেই ভাঙনে রিং বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পেয়ে বুধবার গভীর রাতে ভূতনীতে ছুটে গেলেন মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল।
রাতেই তিনি ভূতনীর কেশরপুর কলোনি এলাকায় পৌঁছে পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
গঙ্গার ভাঙনে রিং বাঁধের কোন কোন জায়গা কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দিয়ে জল ঢুকে ভূতনীতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখেন বিধায়ক। স্থানীয় পরিস্থিতি পরিদর্শনের পর বাঁধ রক্ষায় সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ভাঙন প্রতিরোধের কাজ শুরু করার নির্দেশ দেন তিনি।
একইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত রিং বাঁধ নতুন করে নির্মাণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনওভাবেই যাতে বাঁধ ভেঙে ভূতনীতে গঙ্গার জল ঢুকে চলতি বছরে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা জানান বিধায়ক।
এদিন ভূতনীবাসীর সঙ্গে কথা বলার সময় আগামী বছর ভূতনীতে ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলার আশ্বাস দেন গৌড়চন্দ্র মণ্ডল। তাঁর রাতের এই পরিদর্শনে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও স্বস্তি ফিরেছে।















































