মেদিনীপুর: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্যে একাধিক রাজনৈতিক ইস্যুতে মুখ খুললেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন, পুলিশ আধিকারিকের বদলি থেকে শুরু করে তৃণমূলের সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে বিতর্ক একাধিক বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, দেশের মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ সম্পর্ক সহ তাঁর নেতৃত্বে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমূলক কাজের বিষয়টি তুলে ধরেন।
জন্মদিনকে কেন্দ্র করে দলীয় কর্মসূচির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বার্তাও দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন প্রসঙ্গেও সরব হন দিলীপ ঘোষ। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে বলে দাবি করে তিনি তৃণমূলকে আক্রমণ করেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচনে সাধারণ মানুষই শেষ কথা বলবেন।
এরপর খড়গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বুশরা বানুর বদলি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন দিলীপ ঘোষ। মাত্র দু’মাসের মধ্যে ওই পুলিশ আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। একটি হিন্দু সংগঠনের অভিযোগের পরেই বদলির সিদ্ধান্ত বলে দাবি উঠেছে।
অন্যদিকে বিরোধীদের অভিযোগ, বুশরা বানু সংখ্যালঘু হওয়ার কারণেই তাঁকে বদলি করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে ‘অপমান’-এর অভিযোগ নিয়েও মুখ খোলেন তিনি।
কাকলির অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জানানো হয়েছিল বলে দাবি।
এরপর তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষকে বারাসত থানায় তলব করা হয়েছে। এই ঘটনা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চর্চা।
কালীঘাটে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র আবদুল হাফিজের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎ নিয়েও প্রতিক্রিয়া দেন দিলীপ ঘোষ।
অন্যদিকে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে তৃণমূলের দুই প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর দলের ‘জোড়াফুল’ প্রতীক নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
প্রতীক ‘ফ্রিজ’ হয়ে যাবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
বৃহস্পতিবারই কমিশনের তরফে কোনও সিদ্ধান্ত আসে কি না, তা নিয়েও নজর রয়েছে।
বিধায়কদের নিয়ে ‘ফাইল’ তৈরির প্রসঙ্গও উঠে এসেছে দিলীপ ঘোষের বক্তব্যে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়েছেন বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার। বিধায়কদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও বিভিন্ন তথ্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সবশেষে সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে নিয়েও সরব হন দিলীপ ঘোষ।
একদিনে একাধিক ইস্যুতে দিলীপ ঘোষের ধারাবাহিক মন্তব্য ঘিরে মেদিনীপুরের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।















































