শিলিগুড়ি: ‘সেবা মেরা যোগদান, স্বচ্ছতাই সেবা দেশের জন্য, সমাজের জন্য’ বার্তাকে সামনে রেখে শনিবার বাগডোগরা বিমানবন্দর চত্বরে আয়োজিত হল স্বচ্ছতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ-সহ একাধিক সেবামূলক কর্মসূচি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে দেশজুড়ে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বাগডোগরা বিমানবন্দরের পার্কিং লট এলাকায় এয়ারপোর্ট অথরিটি ও পঞ্চায়েত দফতরের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন, কৃষি বিপণন দফতরের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিধায়ক তথা প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মন সহ পঞ্চায়েত দফতরের MIS শান্তনু প্রামাণিক-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছেই কর্মসূচিতে যোগ দেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। স্বচ্ছ ভারত অভিযানের অংশ হিসেবে হাতে ঝাড়ু নিয়ে বিমানবন্দর চত্বর পরিষ্কার করতেও দেখা যায় তাঁকে।
পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গাছের পরিচর্যা ও পরিবেশ রক্ষার বার্তা দেন মন্ত্রী।
ফুল গাছে জল দিয়ে সাধারণ মানুষকে পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বানও জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে বাগডোগরা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে তিনজনকে সংবর্ধনা জানানো হয়।
বিমানবন্দর চত্বর পরিষ্কার -পরিচ্ছন্ন রাখা সহ পরিত্যক্ত ময়লা-আবর্জনা দ্রুত সরিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে এদিন চারটি গাড়িরও উদ্বোধন করা হয়।
‘স্বচ্ছতাই সেবা’ বার্তাকে সামনে রেখে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এদিন বাগডোগরার কর্মসূচি শেষে উত্তরকন্যার উদ্দেশ্যে রওনা দেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
সেখানে দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।
বৈঠকে দুই জেলার প্রশাসনিক কাজকর্ম, উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সহ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পর্যালোচনা হওয়ার কথা।
চলতি বছর উত্তরবঙ্গে পঞ্চায়েত ব্যবস্থার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে একাধিক প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক হয়েছে।
এর আগে শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠিত একটি পর্যালোচনা বৈঠকে পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় কর্মীসংকট, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়ন ও চা-বাগান এলাকায় আবাসন সংক্রান্ত সমস্যার মতো বিষয় উঠে এসেছিল।
দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক শেষে উত্তরকন্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়ার কথা রয়েছে মন্ত্রীর।
ফলে দুই জেলার উন্নয়ন, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের কাজ সাথে প্রশাসনিক বৈঠকে আলোচিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্যের দিকে নজর থাকবে।















































