জলপাইগুড়ি: পুজোর মুখে তিন মাস ধরে সাম্মানিক না পাওয়ার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে সামিল হলেন জলপাইগুড়ি জেলার এসএসকে ও এমএসকে শিক্ষক-শিক্ষিকারা।
বকেয়া সাম্মানিক দ্রুত মেটানোর দাবিতে সোমবার জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।
দীর্ঘদিন ধরে টাকা না মেলায় সংসার চালানো থেকে শুরু করে পুজোর খরচ সবকিছু নিয়েই সমস্যায় পড়েছেন বলে দাবি বিক্ষোভকারীদের।
শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অভিযোগ, চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে তাঁদের অ্যাকাউন্টে সাম্মানিকের টাকা জমা পড়েনি।
পুজো দরজায় কড়া নাড়ছে, অথচ হাতে টাকা না থাকায় বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত বকেয়া সাম্মানিক মেটানোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে শিশু শিক্ষাকেন্দ্র (এসএসকে)- এর সহায়িকা ও মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্র (এমএসকে)-এর সম্প্রসারকদের মাসিক সাম্মানিক ৫ হাজার টাকা করে বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছিল।
তবে সেই ঘোষণার পরেও জলপাইগুড়ি জেলার কর্মীদের একাংশ নিয়মিত সাম্মানিক পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
জেলায় বর্তমানে ৬৫টি মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্র ও ৫৪৫টি শিশু শিক্ষাকেন্দ্র রয়েছে।
সেখানে চারশোর বেশি সম্প্রসারক-সম্প্রসারিকা ও এক হাজারেরও বেশি সহায়িকা কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
তাঁদের একাংশের সাম্মানিক আটকে থাকায় ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে।
এদিকে, জেলা পরিষদের সংশ্লিষ্ট বিভাগের আধিকারিকদের তরফে সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। নতুন পদ্ধতিতে অর্থ বণ্টনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে কিছুটা প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
তবে কবে নাগাদ বকেয়া সাম্মানিক মেটানো হবে, সে বিষয়ে এখনও নির্দিষ্ট কোনও দিনক্ষণ জানানো হয়নি।















































