জলপাইগুড়ি: চোখের দৃষ্টিশক্তি ধীরে ধীরে কমে আসছিল। চিকিৎসকের পরামর্শ ছিল দ্রুত অস্ত্রোপচার করানোর।
কিন্তু প্রায় দেড় লক্ষ টাকার চিকিৎসা খরচ কীভাবে জোগাড় করবেন, তা ভেবেই দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন ময়নাগুড়ির দোমনীর বাসিন্দা পরিচারিকা রিঙ্কু দাস। শেষ পর্যন্ত কয়েকটি পরিবারের সহযোগিতায় চিকিৎসা করিয়ে ফিরে পেলেন চোখের আলো।
প্রতিদিন প্রায় ২৫ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে জলপাইগুড়ি শহরে এসে পরিচারিকার কাজ করেন রিঙ্কু। সংসার চালাতে তাঁর উপার্জনই ছিল অন্যতম ভরসা। এরই মধ্যে ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তি কমতে শুরু করায় সমস্যায় পড়েন তিনি।
চিকিৎসকরা দ্রুত অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিলেও বিপুল খরচের কারণে চিকিৎসা করানো নিয়ে তৈরি হয় অনিশ্চয়তা।
রিঙ্কুর এই পরিস্থিতির কথা জানতে পারেন জলপাইগুড়ি শহরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন পুলিশ লাইন এলাকার কয়েকটি পরিবার। এরপর তাঁরা উদ্যোগ নিয়ে রিঙ্কুর জন্য আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্য কার্ডের ব্যবস্থা করেন। সেই কার্ডের মাধ্যমে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে বিনামূল্যে তাঁর চোখের অস্ত্রোপচার করা হয়।
অস্ত্রোপচার সফল হওয়ার পর বর্তমানে সুস্থ রয়েছেন রিঙ্কু। ফিরে পেয়েছেন দৃষ্টিশক্তিও।
চিকিৎসার খরচ নিয়ে যখন দুশ্চিন্তায় অন্ধকার দেখছিলেন, তখন কয়েকটি পরিবারের সহযোগিতাই তাঁর জীবনে নতুন করে আলো ফিরিয়ে দিল।
সহযোগিতাকারী পরিবারগুলির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রিঙ্কু।
এই ঘটনায় ফের সামনে এল, সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার সুযোগের সঙ্গে মানুষের সহযোগিতা মিললে কঠিন পরিস্থিতিতেও অসহায় মানুষের জীবনে কীভাবে আশার আলো ফিরতে পারে।















































