বর্ষা এলেই বিচ্ছিন্ন দুই ব্লক, সুবর্ণরেখার উপর স্থায়ী সেতুর দাবি!

ঝাড়গ্রাম: বর্ষা শুরু হলেই যেন একই ছবির পুনরাবৃত্তি।

সুবর্ণরেখা নদীর জলস্তর বাড়তেই জলের তলায় তলিয়ে গেল গোপীবল্লভপুর ১ ও ২ নম্বর ব্লকের সংযোগকারী ফেয়ার ওয়েদার সেতু।

ফলে ফের বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে দুই ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা।

দীর্ঘদিন ধরে একই সমস্যার মুখোমুখি হওয়ায় এবার স্থায়ী কংক্রিটের সেতুর দাবিতে সরব হয়েছে এলাকাবাসী।

চোরচিতা ও শ্যামসুন্দরপুরের মধ্যে সুবর্ণরেখা নদীর উপর নির্মিত কাঠের এই অস্থায়ী সেতুই দুই ব্লকের মানুষের একমাত্র সরাসরি যোগাযোগের পথ।

কিন্তু বর্ষার জল বাড়লেই সেটি অচল হয়ে পড়ে।

ফলে নোটা, গুড়মা-সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় কাজে প্রায় ১৫ কিলোমিটার ঘুরপথে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবছর দুর্গাপুজোর পর নতুন করে কাঠের সেতু তৈরি হলেও বর্ষা এলেই তা জলের তলায় চলে যায়।

এতে পড়ুয়াদের স্কুল-কলেজে যাওয়া, রোগীদের হাসপাতালে পৌঁছানো, কর্মজীবীদের কর্মস্থলে যাতায়াত ও ব্যবসায়ীদের পণ্য পরিবহণ – সব ক্ষেত্রেই চরম দুর্ভোগ তৈরি হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, সুবর্ণরেখা নদীর উপর একটি স্থায়ী কংক্রিটের সেতু নির্মাণ হলে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থাই উন্নত হবে না, গোপীবল্লভপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে দ্রুত পৌঁছানোও সম্ভব হবে।

জরুরি পরিষেবার পাশাপাশি শিক্ষা, কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বছরের পর বছর একই সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা।

তাঁদের দাবি, আর অস্থায়ী ব্যবস্থা নয় – অবিলম্বে সুবর্ণরেখার উপর স্থায়ী সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করুক সরকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here