মুর্শিদাবাদ: মুর্শিদাবাদের সালার থানার উঁজুনিয়া গ্রামে এক যুবকের বিরুদ্ধে একের পর এক বিয়ের অভিযোগ।
প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও সম্প্রতি আরও এক মহিলাকে বিয়ে করে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে মহিম শেখ নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
এই ঘটনার প্রতিবাদে সাত বছরের নাবালিকা মেয়েকে নিয়ে স্বামীর বাড়ির সামনে ধর্ণায় বসেন প্রথম স্ত্রী।
অভিযোগ, প্রায় ছয় বছর আগে হুগলির বাঁশবেড়িয়ার একটি কারখানায় কাজ করার সময় মহিম শেখের সঙ্গে প্রথম স্ত্রীর পরিচয় হয়।
পরে তাঁদের বিয়ে হয় ও দাম্পত্য জীবন শুরু হয়।
প্রথম স্ত্রীর দাবি, বিয়ের পর বিভিন্ন সময়ে মহিম তাঁর কাছ থেকে প্রায় ৩ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নিয়েছে।
কিন্তু গত দুই মাস ধরে স্বামী তাঁর সঙ্গে কোনও যোগাযোগ রাখছে না।
পরে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, মহিমের আরও দুই স্ত্রী রয়েছে।
এরপরই তিনি মেয়েকে নিয়ে সালারের উঁজুনিয়ায় স্বামীর বাড়ির সামনে ধর্ণায় বসে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন মহিমের দ্বিতীয় স্ত্রী মীনা খাতুনও।
তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তাঁকেও বাপের বাড়িতে রেখে দিয়েছে মহিম।
সংসারের কোনও খরচ দেন না। সম্প্রতি গ্রামেরই এক মহিলাকে বিয়ে করে মহিম পালিয়ে গিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত মহিম শেখের মা ফুলকলি বিবি জানান, তাঁর ছেলে কোথায় ও কবে বিয়ে করেছে, সে বিষয়ে তাঁর কোনও ধারণা নেই।
তবে কয়েকদিন আগে ছেলে গ্রামের এক মহিলাকে নিয়ে চলে গিয়েছে বলে শুনেছেন।
বর্তমানে মহিম কেরালায় কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি।
একই সঙ্গে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও উপযুক্ত বিচার দাবি করেছেন তিনি।
খবর পেয়ে সালার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ দুই স্ত্রীর পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের বয়ান নেয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।















































