ভানুভক্ত আচার্যের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিলিগুড়িতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, দার্জিলিং- কার্শিয়াং- কালিম্পং জুড়েও নানা কর্মসূচি!

ভানুভক্ত আচার্যের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে শিলিগুড়িতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, দার্জিলিং- কার্শিয়াং- কালিম্পং জুড়েও নানা কর্মসূচি

শিলিগুড়ি: নেপালি আদি কবি ভানুভক্ত আচার্যের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে সোমবার শিলিগুড়ির কৃষ্ণ মায়া নেপালি হাই স্কুলের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

এদিন সকালেই স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রার সূচনা হয়।

ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, প্রাক্তনী, অভিভাবক, সাহিত্যপ্রেমী ও বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যরা এতে অংশ নেন।

শোভাযাত্রাটি কৃষ্ণ মায়া নেপালি হাই স্কুল থেকে শুরু হয়ে হাকিম পাড়া, হাসমি চক, হিলকার্ট রোড হয়ে গুরু নানকচক, মহাত্মা গান্ধী চক সহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে শিলিগুড়ি জংশনে গিয়ে শেষ হয়।

ভানুভক্ত আচার্যের প্রতিকৃতি, ব্যানার, ফেস্টুন ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে গোটা শহরে উৎসবের আবহ তৈরি হয়।

এদিন শুধু শিলিগুড়িতেই নয়, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পং, মিরিক, সুকনা, রংপো, বিজনবাড়ি, পেডং, গরুবাথান-সহ পাহাড় ও তরাইয়ের বিভিন্ন এলাকাতেও ভানুভক্ত জয়ন্তী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়।

দার্জিলিংয়ের চৌরাস্তায় ভানুভক্ত আচার্যের মূর্তিতে মাল্যদান, কবিতা আবৃত্তি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সাহিত্য আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

একইভাবে কার্শিয়াং, কালিম্পং ও অন্যান্য এলাকাতেও বিভিন্ন বিদ্যালয়, সাহিত্য সংগঠন ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নেপালি ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশে ভানুভক্ত আচার্যের অবদান চিরস্মরণীয়।

তাঁর রচিত নেপালি রামায়ণ আজও নেপালি সাহিত্যজগতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত।

নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর আদর্শ, সাহিত্যচর্চা ও ভাষার প্রতি ভালোবাসার বার্তা পৌঁছে দিতেই প্রতিবছর এই জন্মজয়ন্তী উদযাপন করা হয়।

উত্তরবঙ্গের পাহাড়জুড়ে এই উদযাপন নেপালি ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করে তুলেছে বলে মত প্রকাশ করেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here