বিশ্বকাপের গ্যালারিতে উড়ল বালুরঘাটের নাম, ‘BALURGHAT LOVE MESSI’ পোস্টার হাতে নজর কাড়লেন মিহির দাস!

বালুরঘাট: বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের উত্তেজনার মাঝেই আন্তর্জাতিক মঞ্চে উজ্জ্বল হয়ে উঠল দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের নাম।

আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ডের হাইভোল্টেজ সেমিফাইনাল ম্যাচে গ্যালারিতে দেখা গেল একটি ব্যতিক্রমী পোস্টার – তাতে বড় অক্ষরে লেখা, “BALURGHAT LOVE MESSI”।

পোস্টারটি হাতে ছিলেন বালুরঘাটের পরিচিত ক্রীড়া সংগঠক, ব্যবসায়ী ও আর্জেন্টিনার একনিষ্ঠ সমর্থক মিহির দাস।

জানা গেছে, গত জুন মাসের শুরুতে ছোট ছেলে কুনাল দাসের কাছে আমেরিকায় যান মিহিরবাবু।

পারিবারিক সফরের পাশাপাশি তাঁর বহুদিনের স্বপ্ন ছিল বিশ্বকাপের মঞ্চে গ্যালারি থেকে প্রিয় দল আর্জেন্টিনার খেলা দেখা।

নিজের অগাধ বিশ্বাস থেকেই আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে উঠবে ধরে নিয়ে আগেভাগেই আটলান্টায় অনুষ্ঠিত সম্ভাব্য সেমিফাইনাল ম্যাচের টিকিট কেটে রেখেছিলেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত সেই বিশ্বাস বাস্তবে পরিণত হয়। আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে ওঠে ও প্রিয় দলের নীল-সাদা জার্সি গায়ে গ্যালারিতে উপস্থিত হন মিহির দাস।

তবে শুধু প্রিয় দলকে সমর্থন করাই নয়, বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়েও নিজের শহরের পরিচয় তুলে ধরতে ভোলেননি তিনি।

তাই হাতে তুলে নেন “BALURGHAT LOVE MESSI” লেখা পোস্টার, যা টেলিভিশনের ক্যামেরায় ধরা পড়তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ও নজর কাড়ে বহু ফুটবলপ্রেমীর।

মিহিরবাবুর ছেলে কৌশিক দাস বলেন, “বাবার বহুদিনের স্বপ্ন ছিল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার খেলা গ্যালারি থেকে দেখা।

কিন্তু বিশ্বমঞ্চে পৌঁছেও তিনি নিজের শহরকে ভুলে যাননি।

তাই ‘BALURGHAT LOVE MESSI’ পোস্টার তুলে ধরেছিলেন।

এটি আমাদের পরিবারের পাশাপাশি গোটা বালুরঘাটের জন্যই গর্বের মুহূর্ত।”

বালুরঘাটের ক্রীড়া সংগঠক অরিন্দম চন্দ বলেন, “মিহিরবাবু দীর্ঘদিন ধরেই জেলার ক্রীড়া জগতের পরিচিত মুখ।

বিশ্বকাপের মতো আন্তর্জাতিক আসরে দাঁড়িয়েও তিনি যে বালুরঘাটের পরিচয় তুলে ধরেছেন, তা আমাদের সকলের কাছেই অত্যন্ত গর্বের।

তাঁর এই উদ্যোগে বিশ্বমঞ্চে আরও একবার উজ্জ্বল হয়ে উঠল বালুরঘাটের নাম।”

বিশ্বকাপের উত্তেজনার আবহে প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসার পাশাপাশি নিজের জন্মভূমির পরিচয় বিশ্বদরবারে তুলে ধরার এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই বালুরঘাটবাসীর কাছে গর্বের এক স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে উঠেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here