কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলির (এমএসএমই) বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়ানো ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য প্রস্তুত করে তুলতে কলকাতায় অনুষ্ঠিত হল ‘ওয়ালমার্ট বৃদ্ধি এমএসএমই কানেক্ট ২০২৬’।
আইডিয়াস টু ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এই উদ্যোগের আয়োজন করে ওয়ালমার্ট বৃদ্ধি।
অনুষ্ঠানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের এমএসএমই উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এমএসএমই ও বস্ত্র দপ্তর, বৈদেশিক বাণিজ্য মহানির্দেশালয় (DGFT), ভারতীয় ক্ষুদ্র শিল্প উন্নয়ন ব্যাঙ্ক (SIDBI), ওয়ালমার্ট মার্কেটপ্লেস, ফ্লিপকার্ট ও অন্যান্য সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল এমএসএমইগুলিকে ডিজিটাল সরঞ্জামের ব্যবহার, ই-কমার্সের মাধ্যমে বাজারে প্রবেশ ও আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্যের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া। উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের পাশাপাশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানোর উপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এমএসএমই ও বস্ত্র দপ্তরের সচিব সুমিত গুপ্ত বলেন, “ডিজিটাল সরঞ্জাম ব্যবহার করে এমএসএমইগুলির সক্ষমতা জোরদার করা ও ই-কমার্স মঞ্চের মাধ্যমে বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়ানো তাদের দীর্ঘস্থায়ী বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য। যথাযথ সহায়তা ও সুযোগ পেলে আমাদের এমএসএমইগুলি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ব্যবসা বাড়াতে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে ও বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারবে।”
বৈদেশিক বাণিজ্য মহানির্দেশালয়ের যুগ্ম মহাপরিচালক বিষ্ণু কান্ত বলেন, “আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য সম্পর্কে ধারণা দৃঢ় করা ও প্রয়োজনীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার মাধ্যমে উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক সুযোগ কাজে লাগাতে পারবেন।”
ওয়ালমার্টের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি অবনীশ গুপ্ত বলেন, “এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা এমএসএমইগুলিকে সেই দক্ষতা ও বাজারে প্রবেশের পথ করে দিচ্ছি, যা তাদের টেকসইভাবে ব্যবসা সম্প্রসারণ, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানো এবং বৃদ্ধির নতুন সুযোগ তৈরি করতে সাহায্য করবে।”
আয়োজকদের মতে, ডিজিটাল বাণিজ্য ও ই-কমার্সের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পশ্চিমবঙ্গের এমএসএমই গুলিকে বৃহত্তর বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে রপ্তানি বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এই ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।















































