ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ কি আরও উজ্জ্বল হতে চলেছে? দেশের তরুণ ফুটবলারদের জন্য কি খুলছে নতুন সম্ভাবনার দরজা? আর সেই স্বপ্নপূরণের পথে কি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছে একটি দেশীয় স্পোর্টস ব্র্যান্ড?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতেই শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠিত হলো SPIKA স্পোর্টস শু-এর এক বিশেষ প্রচারমূলক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন মিনার্ভা অ্যাকাডেমি ফুটবল ক্লাবের মালিক তথা ভারতের প্রাক্তন অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দলের ফুটবলার রঞ্জিত বাজাজ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে রঞ্জিত বাজাজ বলেন, একজন খেলোয়াড়ের সাফল্যের পিছনে যেমন কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং প্রশিক্ষণের প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন উন্নত মানের স্পোর্টস সরঞ্জামেরও। তাঁর মতে, একটি ভালো স্পোর্টস ব্র্যান্ড শুধু খেলোয়াড়দের প্রয়োজন মেটায় না, তাদের আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়ে তোলে।
SPIKA-র বিভিন্ন স্পোর্টস শু এবং স্পোর্টস গিয়ার ঘুরে দেখেন তিনি। পণ্যের গুণমান, টেকসই নির্মাণ এবং সাশ্রয়ী মূল্যের প্রশংসা করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস শু যদি সাধারণ খেলোয়াড়দের নাগালের মধ্যে আসে, তাহলে দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্র আরও শক্তিশালী হবে।
সংস্থার দাবি, বাজারে প্রচলিত অনেক আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের তুলনায় কম দামে উন্নতমানের স্পোর্টস শু নিয়ে এসেছে SPIKA। ফলে গ্রাম থেকে শহর-সব জায়গার খেলোয়াড়রাই সহজে এই সুবিধা নিতে পারবেন।
রঞ্জিত বাজাজ আরও বলেন, বর্তমানে ভারতের ক্রীড়া বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। দেশীয় ব্র্যান্ডগুলোর সামনে এখন আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে SPIKA আগামী দিনে শুধু ভারতেই নয়, বিশ্ববাজারেও নিজেদের আলাদা পরিচয় তৈরি করবে বলেই তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ক্ষুদে ফুটবলারদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দেন তিনি। বলেন, বড় স্বপ্ন দেখতে হবে, কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং কখনও হাল ছেড়ে দেওয়া যাবে না। আজকের এই ছোট ছোট ফুটবলাররাই আগামী দিনের ভারতীয় ফুটবলের মুখ। সঠিক প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে একদিন ভারতও বিশ্ব ফুটবলের মানচিত্রে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করবে।
SPIKA ব্র্যান্ডের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে রঞ্জিত বাজাজ জানান, মানসম্মত এবং সাশ্রয়ী মূল্যের স্পোর্টস সামগ্রী দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের খেলোয়াড়দের কাছেও পৌঁছে দিতে পারলে ফুটবলের প্রসার আরও বাড়বে। পাশাপাশি নতুন প্রতিভা তুলে আনতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এই ব্র্যান্ড।
সব মিলিয়ে, শিলিগুড়ির এই অনুষ্ঠান শুধুমাত্র একটি ব্র্যান্ড প্রচারেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। এটি হয়ে উঠেছে তরুণ প্রজন্মের কাছে ফুটবল, পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস এবং স্বপ্নপূরণের এক অনুপ্রেরণার মঞ্চ। আর সেই মঞ্চ থেকেই উঠে এসেছে একটাই বার্তা-সঠিক সুযোগ ও সমর্থন পেলে ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিঃসন্দেহে আরও উজ্জ্বল।










































