নদীয়া: নদীয়ার ভীমপুর থানার অন্তর্গত আসাননগরে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার অভিযোগ।
এক হতদরিদ্র বৃদ্ধা দাবি, তাঁর প্রাপ্য সরকারি বার্ধক্যভাতার টাকা গত কয়েক বছর ধরে অন্য এক ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ছে।
অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে বারবার জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে শেষবারের মতো ওই বৃদ্ধার নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ভাতার টাকা জমা পড়ে।
এরপর থেকে তাঁর অ্যাকাউন্টে আর কোনও অর্থ আসেনি।
সম্প্রতি সন্দেহ হওয়ায় তিনি ব্যাঙ্কের স্টেটমেন্ট সংগ্রহ করে খতিয়ে দেখেন।
অভিযোগ, তখনই তিনি জানতে পারেন যে তাঁর নামে বরাদ্দ হওয়া ভাতার অর্থ অন্য একটি অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত হচ্ছে।
আরও অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টটি নদীয়ার বগুলা এলাকার একটি শাখার গ্রাহকের।
কীভাবে ও কোন প্রক্রিয়ায় তাঁর প্রাপ্য সরকারি অনুদান অন্যের অ্যাকাউন্টে চলে যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বৃদ্ধা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
বৃদ্ধার দাবি, বিষয়টি নিয়ে তিনি বিডিও অফিস, সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক ও থানায় একাধিকবার যোগাযোগ করেছেন।
লিখিতভাবে অভিযোগও জানানো হয়েছে বলে তাঁর দাবি।
কিন্তু দীর্ঘদিন কেটে গেলেও কোনও তদন্ত বা প্রশাসনিক পদক্ষেপের খবর তিনি পাননি।
ফলে ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁকে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের প্রশ্ন, সরকারি প্রকল্পের অর্থ কীভাবে বছরের পর বছর ভুল অ্যাকাউন্টে জমা হতে পারে ও তা সংশ্লিষ্ট দফতরের নজরে না আসা কীভাবে সম্ভব?
এ বিষয়ে প্রশাসনের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
তবে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও বৃদ্ধার প্রাপ্য অর্থ দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।















































