শিলিগুড়ি: উৎসবের আনন্দ, ঢাকের শব্দ আর বিসর্জনের উচ্ছ্বাস – সবকিছুই মুহূর্তের মধ্যে মুছে গিয়েছিল একটি রক্তাক্ত ঘটনার পর।
২০১৯ সালের বিশ্বকর্মা পুজোর সেই রাত আজও ভুলতে পারেননি এলাকার বাসিন্দারা।
অবশেষে সাত বছর পর সেই খুনের মামলায় অভিযুক্ত আনন্দ ওরাওকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
সেদিন বিসর্জন শেষে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিবেশী মাংলু ওরাও ও আনন্দ ওরাওয়ের মধ্যে বচসা শুরু হয়।
প্রথমে কথাকাটাকাটি হলেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
অভিযোগ, উত্তেজিত হয়ে আনন্দ ওরাও একটি লোহার রড দিয়ে মাংলু ওরাওয়ের উপর হামলা চালায়।
রক্তাক্ত অবস্থায় মাংলু ওরাওকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি।
চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
উৎসবের রাতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় গোটা এলাকায় নেমে এসেছিল শোকের ছায়া।
পুলিশ তদন্ত শুরু করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।
এরপর দীর্ঘ সাত বছর ধরে চলে বিচারপ্রক্রিয়া। একাধিক সাক্ষ্যপ্রমাণ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান ও তদন্তের ভিত্তিতে আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে।
আদালতের এই রায়ে নিহতের পরিবারের সদস্যরা কিছুটা স্বস্তি পেলো।
সাত বছর আগে বিশ্বকর্মা পুজোর রাতে শুরু হওয়া সেই শোকের অধ্যায়ে আদালতের রায় যেন ন্যায়বিচারের শেষ পৃষ্ঠা লিখে দিল।















































