শিলিগুড়ি: একদিকে জেলা উন্নয়ন ও বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক, অন্যদিকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের উপভোক্তাদের হাতে শংসাপত্র তুলে দেওয়া, এই দুই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বুধবার ব্যস্ত দিন কাটল শিলিগুড়ি ও মাটিগাড়ায়।
দিনের শুরুতে শিলিগুড়ি স্টেট গেস্ট হাউসে দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা, মাটিগাড়া -নকশালবাড়ির বিধায়ক তথা রাজ্যের অর্থ প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মন, জেলাশাসক ও প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের উপস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে জেলার সামগ্রিক উন্নয়ন, বর্ষাকালীন প্রস্তুতি, AIIMS-সহ বিভিন্ন সরকারি পরিকাঠামোর জন্য জমি চিহ্নিতকরণ, আবাস যোজনা সহ ১২৫ দিনের কাজ নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মন মাটিগাড়া ব্লক অফিসে পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রীর ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নেন।
এরপর অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আওতায় ৭০ জন মহিলার হাতে শংসাপত্র তুলে দেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মাটিগাড়া ব্লকে মোট ২১ হাজার ১৭১ জন আবেদনকারী রয়েছেন।
এর পূর্বে প্রায় ৫ হাজার ৬০০ জন উপভোক্তা প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন।
এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাটিগাড়া ব্লকের বিজেপির বিরোধী দলনেতা মানবেন্দ্র সিনহা-সহ প্রশাসনের একাধিক আধিকারিক।
শংসাপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে অর্থ প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মন বলেন, সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
গত ৩ জুন ২৮ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা করে পাঠানো হয়েছে ও ১ জুলাই আরও ১ কোটি ৩০ লক্ষ মহিলাকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে।
তাঁর দাবি, এই উদ্যোগ রাজ্যের মহিলাদের আর্থিকভাবে আরও স্বনির্ভর করে তুলবে।
অন্যদিকে স্টেট গেস্ট হাউসে সাংবাদিক বৈঠকে সাংসদ রাজু বিস্তা জানান, কেন্দ্র ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন পর্যালোচনার জন্য প্রতি তিন মাস অন্তর এই ধরনের সমন্বয় বৈঠক হবে।
পাশাপাশি তিনি দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার জন্য পৃথক প্রশাসনিক বৈঠকের কথাও জানান।
এছাড়া সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অবৈধ অনুপ্রবেশের বিষয়েও মন্তব্য করেন রাজু বিস্তা।
তিনি বলেন, দেশের সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও কর্মসংস্থান ভারতের নাগরিকদের জন্য, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের জন্য নয়।














































