কলকাতা: রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে বুধবার ঘটল এক নাটকীয় মোড়।
তৃণমূল কংগ্রেসের ৬০ জন বিধায়কের স্বাক্ষরিত চিঠির ভিত্তিতে বিধানসভায় নতুন গোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন স্পিকার রথীন্দ্র বোস।
এই সিদ্ধান্তের পরই বিধানসভার সচিব সৌমেন্দ্র নাথ দাস বিরোধী দলনেতার দফতরের চাবি তুলে দেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে।
বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই শাসক শিবিরের অন্দরে অসন্তোষের খবর সামনে আসছিল।
গত কয়েকদিন ধরে চলা জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বুধবার ৬০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র নিয়ে বিধানসভায় হাজির হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সংখ্যা দুই-তৃতীয়াংশের বেশি হওয়ায় দলত্যাগ বিরোধী আইনের বাধা ছাড়াই নতুন রাজনৈতিক গোষ্ঠী বা দল গঠনের পথ অনেকটাই সুগম হয়ে গেল।
এই নতুন শিবিরে যোগ দিয়েছেন রাজ্যের একাধিক পরিচিত ও প্রভাবশালী বিধায়ক।
তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অরূপ রায়, তাপস মাইতি, সমীর পাঁজা, শুভাশিস দাস, বর্ণালী ধারা-সহ আরও অনেকে।
পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ ও মুর্শিদাবাদের একাধিক মুখও এই গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনায় রাজ্যের প্রধান বিরোধী শক্তির সাংগঠনিক ভিত বড় ধাক্কার মুখে পড়েছে।
যদিও বিদ্রোহী বিধায়কদের দাবি, তাঁরা এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের নেত্রী হিসেবেই মানেন।
তবে বিধানসভায় নতুন গোষ্ঠীর নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আপাতত ধোঁয়াশা বজায় রয়েছে।
তবে বিধানসভার এই নজিরবিহীন ঘটনাকে কেন্দ্র করে আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে।













































