ধূপগুড়ি: জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে তৃণমূল কংগ্রেসের টাউন কার্যালয়ে কংগ্রেস কর্মী- সমর্থকদের প্রবেশকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
দীর্ঘ প্রায় ২৮ বছর পর নিজেদের পুরনো দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে জাতীয় কংগ্রেস।
বৃহস্পতিবার ধূপগুড়ি টাউন ব্লক কংগ্রেসের উদ্যোগে শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
মিছিল শেষে ধূপগুড়ি ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের কাছে মহিলা, কৃষক ও এলাকার বিভিন্ন জনস্বার্থমূলক দাবিতে স্মারকলিপি জমা দেন কংগ্রেস নেতারা।
এরপর কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকেরা মিছিল করে শহরের ওপর থানা রোডে অবস্থিত টাউন তৃণমূল কার্যালয়ের সামনে পৌঁছায়।
সেখানে তালা ভেঙে তাঁরা কার্যালয়ের ভিতরে প্রবেশ করে।
কংগ্রেসের দাবি, বর্তমানে তৃণমূলের কার্যালয় হিসেবে পরিচিত ওই ভবনটি একসময় তাদের দলীয় অফিস ছিল।
কংগ্রেস নেতা হরিশচন্দ্র রায় জানান, ১৯৯৮ সালের পর থেকে তারা ওই কার্যালয় ব্যবহার করতে পারেননি।
পরবর্তীকালে তৃণমূল কংগ্রেস ওই কার্যালয়ের দখল নেয় বলে দাবি তাঁর।
তিনি বলেন, এবার এই কার্যালয় থেকেই ধূপগুড়িতে কংগ্রেসের সাংগঠনিক কাজ পরিচালিত হবে।
পাশাপাশি পুরনো কংগ্রেস কর্মীদেরও আবার সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়।
এদিন কার্যালয়ের ভিতরে প্রবেশের পর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস।
তাদের দাবি, অফিসের ভিতর থেকে বিপুল সংখ্যক ভোটার কার্ড, আধার কার্ড ও প্যান কার্ড পাওয়া গেছে।
কংগ্রেসের অভিযোগ, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে এই নথিগুলির যোগ থাকতে পারে।
যদিও এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধূপগুড়ির রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তৃণমূলের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।











































