জলপাইগুড়ি: স্বচ্ছ ভারত মিশনের আওতায় শৌচালয় নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলার অভিযোগে এক তৃণমূল ঘনিষ্ঠ নেতাকে গ্রেফতার করল ধূপগুড়ি থানার পুলিশ।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধূপগুড়ি ব্লকের বারঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে স্বচ্ছ ভারত মিশনের আওতায় বাড়ি বাড়ি শৌচাগার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
অভিযোগ, সেই সময় বারঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সোনারডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা তথা তৃণমূল ঘনিষ্ঠ নেতা শ্যামল মণ্ডল প্রায় ৩০টি পরিবারের কাছ থেকে শৌচালয় পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে মাথাপিছু ১ হাজার টাকা করে মোট ৩০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে।
অভিযোগকারীদের দাবি, টাকা নেওয়া হলেও পরবর্তীতে কোনও শৌচালয় নির্মাণ করা হয়নি।
শুধু তাই নয়, দীর্ঘদিন কেটে গেলেও টাকা ফেরতও দেওয়া হয়নি। সেই সময় রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার থাকায় ভয়ে কেউ অভিযোগ জানাননি বলেও দাবি স্থানীয়দের।
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিষয়টি নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ।
তদন্তের পর অভিযুক্ত শ্যামল মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়।
শুক্রবার তাকে জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে পেশ করা হয়েছে।
অভিযোগকারীরা জানান, বহু বছর ধরে তারা ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় ছিলেন।
তাঁদের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত শ্যামল মণ্ডল সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
তাঁর দাবি, তিনি নির্দোষ ও রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার হয়ে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
ঘটনার তদন্ত চলছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।












































