গোর্খা সমাজের দুই কৃতী ব্যক্তিত্বকে শ্রদ্ধার্ঘ্য, গুরুঙ বস্তিতে উন্মোচিত হবে বাঘবীর গুরুং ও পুন্যপ্রসাদ প্রধানের মূর্তি!

শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ির গুরুঙ বস্তিতে আগামী ১৪ জুন এক ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় মুহূর্তের সাক্ষী হতে চলেছে।

ভানু ভক্ত সমিতির উদ্যোগে বীর জওয়ান চক প্রাঙ্গণে গোর্খা সমাজের দুই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব বাঘবীর গুরুং ও পুন্যপ্রসাদ প্রধানের মূর্তি উন্মোচন করা হবে।

একইসঙ্গে প্রকাশিত হবে স্মারকগ্রন্থ ‘চিনহারি-২০২৬’।

সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গুরুঙ বস্তি ও প্রধান নগরের প্রতিষ্ঠা ও সামাজিক বিকাশে বাঘবীর গুরুং ও পুন্যপ্রসাদ প্রধানের অসামান্য অবদানকে স্মরণ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সমাজ গঠন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁদের ভূমিকা আজও গোর্খা সমাজের কাছে প্রেরণার উৎস।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ভানু ভক্ত সমিতির সভানেত্রী রেণুকা সুব্বা।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং -র।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন সাংসদ রাজু বিস্তা, রাজ্যসভার সাংসদ হর্ষবর্ধন শ্রিংলা, পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, প্রতিমন্ত্রী বিশাল লামা, শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি।

ভানু ভক্ত সমিতির সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ লামা জানান, “এটি শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান নয়, বরং গোর্খা সমাজের দুই পথপ্রদর্শকের প্রতি সম্মিলিত শ্রদ্ধাঞ্জলি।

তাঁদের জীবন ও অবদান আগামী প্রজন্মের সামনে তুলে ধরাই মূল লক্ষ্য।”

আয়োজকদের মতে, মূর্তি উন্মোচনের পাশাপাশি ‘চিনহারি-২০২৬’ প্রকাশের মাধ্যমে নেপালি ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের বার্তাও তুলে ধরা হবে।

অনুষ্ঠানে সাহিত্যিক, সমাজকর্মী, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

গোর্খা সমাজের ইতিহাস ও উত্তরাধিকারকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগকে ঘিরে ইতিমধ্যেই উৎসাহের আবহ তৈরি হয়েছে গুরুঙ বস্তি ও আশপাশের এলাকায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here